হৃদয় ও নিষ্ঠা দিয়ে হাজীদের সেবা
বাংলাদেশের সরকার অনুমোদিত হজ ও উমরাহ এজেন্সি — বিশ্বাস, স্বচ্ছতা ও ব্যক্তিগত যত্নের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে।
🕋 ঢাকা হজ্জ গ্রুপ
ঢাকা হজ্জ গ্রুপ — এই নামটি বাংলাদেশের হাজারো হজযাত্রীর কাছে এক বিশ্বস্ত পরিচয়। ১৯৯৯ সালে মক্কার পবিত্র ভূমিতে একটি সংকল্প থেকে এই যাত্রার শুরু — বাংলাদেশি মুসলিমদের কেবল সৌদি আরব পৌঁছে দেওয়া নয়, বরং প্রতিটি আহকাম সঠিকভাবে পালন করিয়ে মাবরুর হজ্জ নিশ্চিত করা।
এই গ্রুপের অধীনে দুটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত হজ এজেন্সি — আল-সাফওয়া ট্রেড ট্যুরস (HL ৬২৫) এবং ঢাকা ট্রেড ট্যুরস (HL ৩৩৬)। গত ২৬ বছরে প্রতি বছর গড়ে ২২০ জন হাজি আমাদের সাথে হজ্জ পালন করেছেন।
বছরের অভিজ্ঞতা
সন্তুষ্ট হাজি
বার্ষিক উমরাহ
রমজান প্যাকেজ
যাদের নেতৃত্বে আল-সাফওয়া
আমরা লোক নিয়োগ করে সেবা দিই না। আমাদের পরিচালকরা নিজেরাই প্রতি বছর হাজিদের সাথে ঢাকা থেকে ঢাকা পর্যন্ত উপস্থিত থাকেন — কারণ এটি আমাদের কাছে ব্যবসা নয়, দায়িত্ব।
নাজমুস শাকেব
নাজমুস শাকেব মক্কায় বড় হয়েছেন। হারাম শরীফের ছায়ায়, সফা-মারওয়ার মাব্বরে, মিনার তাঁবুর গলিতে, আরাফাতের মৈদানে — তাঁর শৈশব ও কৈশোর কেটেছে এই পবিত্র ভূমিতে। মক্কা তাঁর কাছে শুধু গন্তব্য নয় — ঘর। হারাম থেকে আরাফাত, মিনা থেকে মুজদালিফা, সফা থেকে মারওয়া — প্রতিটি পথ তাঁর কাছে নিজের শহরের মতোই পরিচিত।
তিনি নিজে প্রতি বছর হাজিদের সঙ্গে সৌদি আরবে যান এবং ঢাকা থেকে ঢাকা পর্যন্ত সরাসরি তদারকি করেন। মিনার তাঁবুতে হাজিদের পাশে থাকেন, আরাফাতের মৈদানে দোয়া শেখান, হাজিদের পাথর নিক্ষেপে সাহায্য করেন। তাঁর বিশ্বাস — হজ্জ শুধু নিয়ম-কানুন মেনে চলা নয় — এটি হৃদয় দিয়ে অনুভব করার বিষয়।
রাইয়ান আহমেদ
রাইয়ান আহমেদ জন্মেছেন মক্কায়, বড় হয়েছেন বাংলাদেশে, কর্মজীবন গড়েছেন অস্ট্রেলিয়ায়। তিন দেশের অভিজ্ঞতা তাঁকে একটি অনন্য সংযোগসেতু বানিয়েছে — যিনি একই সাথে মক্কার পবিত্রতা, বাংলাদেশের সংস্কৃতি এবং অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক সেবা মান বোঝেন।
প্রবাসী বাংলাদেশি পরিবারগুলোর জন্য তিনি বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। দেশে থাকা বাবা-মা বা স্বজনদের হজ্জের ব্যবস্থা তাঁর মাধ্যমে সহজে করা সম্ভব — অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ বা মধ্যপ্রাচ্য থেকেও তিনি গ্লোবাল কোঅর্ডিনেশন সামলান।
ওবাইদুর রহমান হানিফ
হানিফ ভাই ১৯৯৯ সাল থেকে এই পথচলার অন্যতম স্তম্ভ। সৌদি আরবের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রীর Personal Secretary হিসেবে ২৫ বছর দায়িত্ব পালন করেছেন। সৌদি সরকারের প্রশাসনিক কাঠামো, নীতিমালা, এবং ব্যবস্থাপনার প্রতিটি স্তর তাঁর কাছে সুপরিচিত।
তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও সৌদি প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ আমাদের সেবার মানকে অন্য রকম উচ্চতায় নিয়ে গেছে। সৌদিতে কোনো সমস্যা হলে তাঁর অভিজ্ঞতা ও নেটওয়ার্ক দ্রুত সমাধান নিশ্চিত করে। তিনি বিশ্বাস করেন — হাজিদের সেবা মানে শুধু ব্যবসা নয়, এটি সদকা-এ-জারিয়া।
প্রত্যেক বাংলাদেশি মুসলিমকে আল্লাহর ডাকে সাড়া দিতে সাহায্য করা
“আল্লাহর ঘরের সফরকে যতটা সম্ভব আধ্যাত্মিকভাবে সমৃদ্ধ, শারীরিকভাবে আরামদায়ক এবং আর্থিকভাবে স্বচ্ছ করে তোলা — আমরা যাদের সেবা করি তাদের প্রত্যেকের জন্য।”
আজই সফর শুরু করুন →