আরাফার দিন (৯ জিলহজ্জ) হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন। নবী (সা.) বলেছেন: “হজ হলো আরাফাত।” যে হাজি সূর্যাস্তের আগে আরাফার ময়দানে পৌঁছাতে পারলেন না, তার হজ সহিহ হবে না।
আরাফা কোথায়?
মক্কা থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার পূর্বে। বিদায় হজে নবী (সা.) এখানে শেষ ভাষণ দিয়েছিলেন।
আরাফার দিনের সময়সূচি ২০২৭
| সময় | করণীয় |
|---|---|
| ফজর | মিনায় ফজর পড়ুন |
| সূর্যোদয়ের পর | আরাফার উদ্দেশ্যে রওনা |
| জোহর | জোহর+আসর একসাথে জমা+কসর |
| জোহর-সূর্যাস্ত | দোয়া, যিকির, কুরআন তেলাওয়াত |
| সূর্যাস্তের পর | মুজদালিফার উদ্দেশ্যে রওনা |
আরাফার শ্রেষ্ঠ দোয়া
উচ্চারণ: লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকা লাহু, লাহুল মুলকু ওয়ালাহুল হামদু, ইউহয়ি ওয়া ইউমিত, ওয়াহুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।
অর্থ: আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই। তিনি একা, তার কোনো শরিক নেই। তার জন্য রাজত্ব ও প্রশংসা। তিনি সর্বশক্তিমান।
আরাফায় করণীয়
- বেশি দোয়া ও যিকির করুন, বিশেষত বিকেলে
- কান্না করে তওবা করুন
- পরিবার ও উম্মতের জন্য দোয়া করুন
- জোহর ও আসর একসাথে (জমা ও কসর) পড়ুন
- সূর্যাস্তের আগে আরাফা না ছাড়ার সতর্ক থাকুন
আরাফার ফজিলত
- এই দিনে আল্লাহ সবচেয়ে বেশি মানুষকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন
- ৯ জিলহজ্জ রোজায় আগের-পরের এক বছরের গুনাহ মাফ
- এই দিন ইসলাম পরিপূর্ণ হওয়ার ঘোষণা এসেছিল
মুজদালিফায় রাত
সূর্যাস্তের পর আরাফা ছেড়ে মুজদালিফায় যান। মাগরিব ও এশা একসাথে পড়ুন, ৭০টি কঙ্কর সংগ্রহ করুন।